• Home
  • Lifestyle
  • গ্যারি ম্যাককিনন বিশ্বের সেরা হ্যাকারদের সেরা
Lifestyle

গ্যারি ম্যাককিনন বিশ্বের সেরা হ্যাকারদের সেরা

সেরা হ্যাকারদের মধ্যে যার নাম প্রথমেই মনে আসে তিনি Solo হিসেবে পরিচিত।

স্কটিশ কন্সপিরেসির এই থিয়োরিস্ট U.S এর এয়ার ফোর্স, আর্মি, ডিপার্টমেন্ট অব ডিফেন্স, নাসা, নেভির মত বড় বড় নেটওয়ার্কে অবৈধভাবে প্রবেশ করে বিশ্বরেকর্ড করেন। গ্লোবাল এনার্জি ক্রাইসিস সমাধানের নিমিত্তে এগুলো থেকে তিনি এলিয়েন স্পেসক্র্যাফট এর যাবতীয় প্রমাণাদি চুরি ও নষ্ট করেন যা ইউএস আদালতের ভাষ্যমতে প্রায় $৭০০০,০০০ ক্ষতির সমতুল্য।

২০০২ সালে ইউ এস আর্মির সার্ভার স্ক্রিনে “Your security system is crap,” it read. “I am Solo. I will continue to disrupt at the highest levels.” এই ম্যাসেজ দেখা দিয়েছিল যা তিনিই করেছিলেন। Large scale hackings এর সূচনা করার মধ্যে দিয়ে তিনি ইউ এস আর্মির সার্ভার এ হামলা করেন। হামলার কারণ হিসাবে উল্লেখ করতে তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস ছিল তারা এমন কিছু তথ্য সেখানে লুকিয়ে রেখেছিল যা সকলের জানা দরকার।”

সন ২০০২ গ্যারি ম্যাককিনন নামের এক হ্যাকার নাসার সার্ভার হ্যাক করে ২৭৮ জিবি ডাটা পাবলিক করে দেয়। এই সব ডাটায় নাসার গোপন কিছু বিষয় সবাই জানতে পারে। চাঁদে মানুষের গমনের নানান তথ্য গোপন করেছিল নাসা যেগুলো উঠে আসে সেই সব ডকুমেন্টে।

১৯৬৪ সালে নাসা একটি স্যাটেলাইট লঞ্চ করে। যার নাম ছিল রেঞ্জার সেভেন। এটি চাঁদের কক্ষপথ থেকে নাসা কে ৪৭০০ ছবি পাঠায়। এদের মাঝে কয়েকটি ছবি ছাড়া বাকি সব ছবিই গোপন রাখা হয়। নাসা আদতে এসব ছবির কোনটিই প্রকাশ করতে চায়নি। জুন ১৯৬৫ সালে নাসার একটি ডকুমেন্টে বলা হয়- নাসার একজন এস্ট্রোনাট জেমস ম্যাকডেভিড নাসাকে কিছু তথ্য দেন। তিনি বলেন- চাঁদের বুকে তিনি একটি ভিনগ্রহের স্পেসশিপ দেখেন। তিনি বলেন- তিনি এই স্পেসক্রাফট এর ছবি নেয়ার জন্যে অনেক কাছে চলে যান। কিন্তু সূর্যের আলোর কারণে তিনি ভাল ছবি তুলতে পারেননি। এরপর সেটি মিলিয়ে যায়। এরপর নাসা কিছু কোড ওয়ার্ড ব্যবহার শুরু করে। এগুলো হল- ফায়ার, বুগি, সান্টাক্লজ ইত্যাদি।
২৪ ডিসেম্বর ১৯৬৮ সালে এপোলো মিশনের মাধ্যমে নাসা চাঁদের কক্ষপথে স্যাটেলাইট স্থাপন করে। এরপর নাসা ও এপোলো ৮ এর মাঝে কিছু কথপোকথন হয়। এপোলো ৮ থেকে মিশন কন্ট্রোলার নাসাকে জানায়- তিনি ওখানে সান্টাক্লজ দেখেছেন। এর মানে তিনি ভিনগ্রহের কিছু একটা দেখেছিলেন। নাসা থেকে হ্যাক হয়ে যাওয়া সার্ভারে এই কথপোকথন রেকর্ডেড অবস্থায় পাওয়া যায়।

১৬ জুলাই, ১৯৬৯ সালে এপোলো ১১ লঞ্চ হয়। মাইকেল কলিন্স যখন সামনে থেকে চাঁদকে দেখেন; তিনি প্রচন্ড ভয় পান। যখন নীল আমস্ট্রং ও নাসার মাঝে কথপোকথন হচ্ছিল তখন লাইভ টেলিকাস্ট থেকে হঠাৎ দুমিনিট বিরতি ঘটে। কী ঘটেছিল এই দুমিনিটে? হ্যাক হওয়া ডকুমেন্ট অনুযায়ী- ওখানে নীল আমস্ট্রং ও বাকিরা সত্যিকারের এলিয়েন স্পেসশিপ দেখেছিল। তাঁদের এই কথপোকথন নাসা বন্ধ করে দেয়। সেসময় দুটো চ্যানেল কাজ করছিলো। একটা নাসা সরাসরি রক্ষা করছিলো। বাকি চ্যানেল দিয়ে পুরো দুনিয়া তাঁদের কর্মকান্ড দেখতে ও শুনতে পাচ্ছিলো। কিন্তু কেউ সেই কথপোকথন শুনতে বা দেখতে পায়নি। নাসা কোনদিনই এই কথপোকথন স্বীকার করেনি।

এতোদিন পর্যন্ত মানুষ জানত -চাঁদের মাটিতে নাসা শুধু আমেরিকার পতাকাই উত্তোলন করে এসেছে। কিন্তু হ্যাক হওয়া ডকুমেন্ট মতে- আরো দুটো জিনিস চাঁদের বুকে রেখে আসা হয়। একটি হল সোনার তৈরি গাছের পাতার প্রতিকৃতি। আরেকটি হল সিলিকন ডিস্ক- যাতে ৭৩ দেশের রাষ্ট্রপতি ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মেসেজ রেকর্ড করা ছিল। নাসা যদি কোন এলিয়েন দেখেইনি- তাহলে কেন এই মেসেজ দেয়া হয় – কেউ উত্তর দেয়নি। এমনকি এরপর নাসা আর কোন স্পেসক্রাফট চাঁদে পাঠায়নি।
নাসার একটি স্পেসক্রাফট এসটিএস৭৩ থেকে ২১ শে অক্টোবর ১৯৯৫ সালে ক্যাথরিন জিগোল্ড স্পেস ল্যাবে কাজ করছিলেন- তখন তিনি নাসাকে জানান তিনি একটি আন আইডেন্টিফাইড অবজেক্ট দেখেছেন। যখন ইউএস কংগ্রেস ম্যানদের জিজ্ঞেস করা হয় তখন বলা হয় – এই স্পেশশিপে কোন জানালাই ছিলোনা। ক্যাথরিনের ইউএফও দেখার কোন সম্ভাবনাই নেই। কিন্তু ২০০২ সালের হ্যাক হওয়া তথ্য অনুসারে এই স্পেশক্রাফটে অপটিক্যাল উইন্ডো ছিল। কনগ্রেসম্যান মিথ্যে বলেছিলেন। নাসা কখনোই তাদের গোপন তথ্য কাউকে জানায় না। গ্যারি ম্যাককিনন হ্যাক না করলে হয়তো এগুলো আজীবন অজানাই থেকে যেত!

Related posts

The girls are married after the birth of a community!

admin

10 Dos And Don’ts For Dating In Winter

admin

Some unknown facts about Sunny Leone

admin

Leave a Comment

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More

Privacy & Cookies Policy