‘চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে চায় ভারত’

‘চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে চায় ভারত’

ডেস্ক রিপোর্ট : দেশআমারবিডি ডট কম ।
আপডেট : ০১:১৫ PM, ডিসেম্বর, ০৭, ২০১৬, বুধবার   ||  
‘চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে চায় ভারত’
 চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার, লাইট হাউজেস ও লাইট শিপস (নৌরুটে বয়া, বাতি নির্মাণ), কোস্টাল ও প্রটোকল রুটে যাত্রী ও ক্রুজ সার্ভিস, পায়রা বন্দরে মাল্টিপারপাস টার্মিনাল নির্মাণ, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আরো নৌযোগাযোগ বাড়ানোসহ একাধিক বিষয় নিয়ে দুই দেশের মধ্যে নৌসচিব পর্যায়ের বৈঠক শুরু হয়েছে।
বুধবার সকালে সচিবালয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ ভারতের নৌসচিব পর্যায়ের বৈঠকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দিচ্ছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব অশোক মাধব রায়। আর ভারত প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সে দেশের নৌপরিবহনসচিব রাজীব কুমার।

বৈঠকের শুরুতে বিষয়বস্তু নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন নৌপরিবহনসচিব অশোক মাধব। তিনি জানান, প্রতি তিন মাস পরপর দুদেশের মধ্যে সচিব পর্যায়ে বৈঠক হয়। এটি তারই অংশ। এ বৈঠকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ভারত সফরের কোনো সম্পর্ক নেই।

তিনি বলেন, ‘একাধিক ইস্যু নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হবে। ভারত চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার করতে চায়। সে ক্ষেত্রে তারা কীভাবে এবং কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করবে, সে বিষয়ে নিয়ে এখানে আলোচনা হবে।’

আজকের বৈঠকে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হবে। সেই কমিটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউরে (এসওপি) বিস্তারিত থাকবে। তবে বন্দর ব্যবহারে ফি পরে নির্ধারণ করা হবে বলেও জানান অশোক মাধব।

তিনি আরো বলেন, ‘ভারত দেশের পায়রা বন্দরে টার্মিনাল নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। যদি বাংলাদেশ এতে সম্মত হয় তাহলে ভারতের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ টার্মিনাল নির্মাণ করবে। পায়রা বন্দর নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে ১২৫টি দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে কারা এ কাজ করবে সে বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আমরা কারো কাছেই টাকা চাইনি। তারাই আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’

সচিব বলেন, ‘ফিজিবিলিটি স্টাডি করে দেখা গেছে, টার্মিনাল নির্মাণে ১৮ বিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) জমা দেওয়া আছে।’

কোস্টাল ও ক্রু সার্ভিস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পর্যটকরা যারা জাহাজে করে আসবে তারা মূল ভূখণ্ডে নামতে পারবেন না। তবে জাহাজের ক্রুরা যেন ৭২ ঘণ্টার জন্য ভূখণ্ডের নামতে পারে সে বিষয়ে একটি সমঝোতা হবে। তাদের অন অ্যারাইভাল ভিসা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।’

বৈঠকে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহার, লাইট হাউজেস ও লাইট শিপস (নৌরুটে বয়া, বাতি নির্মাণ), কোস্টাল ও প্রটোকল রুটে যাত্রী ও ক্রুজ সার্ভিস বিষয়, পায়রা বন্দরে মাল্টিপারপাস টার্মিনাল নির্মাণ নিয়ে আলোচনা হবে। বৈঠক শেষে দুই দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হতে পারে।

No comments: