জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা

খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি ২৪ নভেম্বর

Published:10 Nov 2016   12:58:55 PM   Thursday   ||   Updated:10 Nov 2016   01:03:42 PM   Thursday
খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি ২৪ নভেম্বর
নিজস্ব প্রতিবেদক : জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন্য আগামী ২৪ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার পক্ষ থেকে দুই সপ্তাহের জন্য সময়ের আবেদন করলে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

এ দিকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আগামী ১৭ নভেম্বর খালেদা জিয়ার পক্ষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার  জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

দুর্নীতির দুই মামলায় হাজিরা শেষে দুপুর ১২টা ৪০ মিনিটে খালেদা জিয়া আদালত প্রাঙ্গণ ত্যাগ করেন।

প্রসঙ্গত, এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে খালেদা জিয়াসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক।

২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান, প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।

তারেক রহমান দেশের বাইরে আছেন। মাগুরার প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ জামিনে আছেন। ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান মামলার শুরু হতেই পলাতক।

অন্যদিকে ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চার জনের বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এ মামলায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়।

মামলাটিতে অন্য আসামিরা হলেন বিএনপি নেতা সচিব হারিছ চৌধুরী, তার তৎকালীন একান্ত সচিব বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রাক্তন মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

No comments: