ভালো থাকুন বুকের ব্যথায় অবহেলা নয়

ভালো থাকুন

বুকের ব্যথায় অবহেলা নয়

বুকে মাঝেমধ্যে অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভব হলে দুশ্চিন্তা হয়—হৃদ্রোগ হলো না তো? কোনো উপসর্গ ছাড়াই কারও হৃদ্যন্ত্রে সমস্যা থাকতে পারে। আবার সব রকমের বুকে ব্যথা হৃদ্রোগজনিত নয়। বুকে হৃৎপিণ্ড ছাড়াও ফুসফুস, শ্বাসনালি, খাদ্যনালি, পাঁজরের হাড়, মাংসপেশি, স্নায়ু ইত্যাদি থাকে। এগুলোর যেকোনো একটিতে সমস্যা হলেই বুকে ব্যথা হতে পারে।
শতকরা ৪০ ভাগ ক্ষেত্রে স্রেফ মানসিক সমস্যা বা উদ্বেগের কারণে একজন রোগী বুকে ব্যথার সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান। জেনে নিন, কখন বুকে ব্যথাকে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া উচিত:
* ওজনাধিক্য, পরিশ্রমের অভাব, মন্দ খাদ্যাভ্যাস, ধূমপানের অভ্যাস ও পারিবারিক হৃদ্রোগের ইতিহাস থাকলে সাবধান হতে হবে। এগুলো হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। আপনার যদি আগে থেকে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস বা রক্তে চর্বির আধিক্য থাকে, তবে যেকোনো ধরনের বুকে ব্যথাকেই আমলে নিন।
* অনেক রোগীই হৃদ্রোগ হওয়ার কিছুদিন আগে থেকে বুকে সামান্য ব্যথা অনুভব করেন। পরিশ্রম, হাঁটাচলা বা ভারী খাওয়া–দাওয়ার পর বুকে এই ব্যথা বা চাপ বাড়ে। আবার বিশ্রাম নিলে কমে যায়। এই উপসর্গগুলো খারাপ।
* যেকোনো সময় হঠাৎ বুকে খুব বেশি ব্যথা, বিশ্রাম নিলেও ব্যথা না কমা, হঠাৎ কাশি বা তীব্র শ্বাসকষ্ট, ব্যথার সঙ্গে ঘাম ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিলে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া উচিত। কেননা আপাত সুস্থ একজন ব্যক্তি যেকোনো সময় জটিল হৃদ্রোগে আক্রান্ত হতে পারেন
ডা. গোবিন্দ চন্দ্র রায়
মেডিসিন বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
প্রশ্নোত্তর
প্রশ্ন: সন্তান প্রসবের পর নারীর পেটে যে মেদ জমে, তা কমানোর উপায় কী?
উত্তর: পেটের মেদ কমানোর জন্য নির্দিষ্ট ব্যায়াম রয়েছে। সকালে ঘুম ভেঙে বিছানা থেকে নামার আগেই ব্যায়াম করতে পারেন। যেমন: সোজা হয়ে শোয়া অবস্থা থেকে মাথা ও দু-হাত ওঠাতে ওঠাতে ধীরে ধীরে হাঁটু ভাঁজ না করে দু-পায়ের পাতা স্পর্শ করতে চেষ্টা করুন। তবে সন্তান প্রসবের অন্তত দেড় মাস পর এসব ব্যায়াম শুরু করা উচিত।
অধ্যাপক সোহেলী রহমান, বিভাগীয় প্রধান, ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল

No comments: