ঈদে বাড়ি যেতে সতর্কতা

স্টাফ রিপোর্টার
প্রিয়জনের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে পরিবার-পরিজন নিয়ে রাজধানী ছেড়ে ছুটে চলেন নিজ গ্রামে দিকে। কিন্তু সামান্য অসাবধানতায় ঘরমুখো অনেকেই আনন্দ ভাগাভাগির বদলে দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়। কখনও কেনা উপহার ও মূল্যবান সামগ্রী হারিয়ে ফেলেন। কিছু সাবধানতা অবলম্বন করলে অনাকাঙ্খিত এসব ঘটনা এড়িয়ে চলা সম্ভব।
১. বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সব কিছু ঠিকমতো তালা দিয়েছেন কিনা, তা ভালো করে পরখ করুন। যা যা সঙ্গে নিয়ে যাবেন তা ভালো করে গুছিয়ে রাখুন।
২. প্রথমেই বাস কাউন্টার বা ট্রেন স্টেশন পর্যন্ত যাত্রাটি সতর্কতার সঙ্গে করুন। রাস্তাঘাটে ঈদের আগে নানা ধরনের অরাজকতা বেড়ে যায়। বর্তমানের মূল যেই সমস্যাটি হয়ে থাকে তা হলো- রিকশা যাতায়াতের সময়ে ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনাটি। তাই রিকশা আরোহণ করার সময়ে এমনভাবে উঠুন যেন আপনার ব্যাগের কোনো অংশ বাহিরে ঝুলে না থাকে। শক্তভাবে ব্যাগটিকে আড়াল করে রাখুন। লক্ষ্য রাখুন আশেপাশের বিভিন্ন যানবাহনের দিকে। এছাড়া সম্ভব হলে অবশ্যই রিকশার হুটটি তুলে দিন।
৩. বাস কাউন্টারে বা ট্রেনের স্টেশনে গিয়ে মালামাল সাবধানে নিরাপদ কোনো জায়গায় রাখুন। বাহনটির নির্দিষ্ট সময়সূচি সম্পর্কে অবগত হোন।
৪. সম্ভব হলে আপনার পাশের সিটে যে ব্যক্তির সিট, সেই ব্যক্তি সম্পর্কে জেনে নিন।
৫. ঈদে বাড়িতে যাওয়ার আগে সবচেয়ে যে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে হবে সেটি হচ্ছে, অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে বাস, ট্রেন কিংবা লঞ্চে যাতায়াত করা যাবে না।
৬. ছিনতাই- চুরি রোধে মোবাইল, মানিব্যগ ও মালামাল সাবধানে রাখতে হবে।
৭. বাচ্চারা বসলে তাদের হাত যেন জানালার বাইরে না থাকে সেদিকটা খেয়াল রাখতে হবে।
৮. অবশ্যই বাইরের কেনা কোনো খাবার কিংবা পানীয় খাবেন না। এতে অজ্ঞান পার্টির খপ্পর থেকে বাঁচার সঙ্গে সঙ্গে আপনি থাকবেন সুস্থ। খাবারের প্রয়োজন হলে বাসা থেকে খাবার এবং পানীয় নিয়ে বের হোন।
৯. প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ সঙ্গে রাখুন। যা আপনার চলার পথে কাজে লাগতে পারে। এছাড়া আপনার ব্যবহারের নিত্যদিনের ওষুধ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। কারণ গ্রামের ওষুধের দোকানে সব ওষুধ পাওয়া নাও যেতে পারে।
১০. যাত্রায় ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করার চেষ্টা করুন।
সামান্য সাবধানতা আপনার ঈদ আনন্দ বাড়িয়ে দেবে বহুগুন।

No comments: