সাহিত্য

 সাহিত্য
অরবিন্দু কুমার মজুমদার
সাহিত্য হলো মনের খোরাক, মনের সকল চাওয়া
দেশের সঙ্গে, কালের সঙ্গে মনের মিলন হওয়া,
অনেক প্রাপ্তির মাঝেও তাহার অনেক অভাব থাকে
সে যতক্ষণ না এনে দিতে পারে জাতীয় পূর্ণতাকে।
অনেক দুঃখেও দেয় শান্তনা, পায় স্রষ্টার অনুদান
দিয়ে যায় শুধু ত্যাগের মহিমা, চায়না সে প্রতিদান,
দুঃখ-বেদনা, বিফল-বাসনা, বিষাদময় যন্ত্রণা হতে
সাহিত্যই পারে পীড়িত মনকে চিরমুক্তি দিতে।
অন্তর হতে যায় বাহিরে, ভাবকে দেয় সে ভাষা
আপনকে করে বিশ্বমানবের, দেয় ক্ষণিককে চির আশা,
হয় না তার বিহনে ভাব বিনিময়, জীবন হয় অচল
সাহিত্যই করে মনকে স্বতেজ, সজীব আর সচল,
ন্যায়নীতিতে থাকে অবিচল, করে দুর্নীতি রোধ
নিয়ে নিতে পারে সুকৌশলে, প্রতারণার প্রতিশোধ।
গরল ব্যক্তি হয়ে যায় সরল, সকল জটিলতা ভূলে
সাপের বিষ ও অম্মৃত হয় সাহিত্যের ছোঁয়া পেলে,
করে অপশক্তিকে বিদ্রোহ ঘোষনা, জানায় শুভশক্তিতে স্বাগতম
ঘটে বিরহ মিলনের সন্ধি লগ্নেই সাহিত্যের আগমন।
সাহিত্যই গড়ে স্বপ্নপুরী, আনে কল্পলোকের জয়
বাস্তব ও স্বপ্নের সমন্বয়েই জীবন প্রবাহময়,
জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনেই ভাষা, ভাবের অবতারণা
সকল সাহিত্যের সার কথা হলো জীবনের সমালোচনা।
থাকে ভাব ব্যাঞ্জনা প্রকাশ ভঙ্গির অত্যাধুনিক রীতি
সাহিত্য করে মানব কল্যাণ, গড়ে সভ্য সুন্দর জাতি,
গড়ে ভাবানুবাদ ও ভাষা জ্ঞান লব্দ একটি সুন্দর মন
মূল কথা গুলিই তুলে ধরে, যা সত্য ও চিরন্তন।
ভাষা হয় মূর্ত স্বতস্ফুর্ত, সাবলিল ভঙ্গিমাতে
মানব মনের সহজাত আকুতির অভিব্যক্তি প্রকাশিতে,
সাহিত্য শেখায় যোগ্য ব্যক্তির যোগ্য সম্মান দিতে
সাহিত্য শেখায় সব মানুষকে সৎ ও সুন্দর হতে।
    *****************

No comments: